টাঙ্গাইলে মা’কে নির্যাতন-বিক্ষোভ; পুলিশের গুলিতে ০৪ জন নিহত, ০৪ পুলিশ চাকরিচ্যুত

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ২০১৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর পুলিশের গুলিতে ০৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় পুলিশের ০২ উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও ০২ কনস্টেবলকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এছাড়া আরও ০৪ জনের বিভিন্ন মেয়াদের ইনক্রিমেন্ট স্থগিত করা হয়েছে। বিভাগীয় মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় ০১ আগস্ট মঙ্গলবার এই আদেশ দেওয়া হয়।

 

২০১৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর কালিহাতী উপজেলার সাতুটিয়া গ্রামে রফিকুল ইসলাম রোমা ও তার ভগ্নিপতিসহ কয়েকজন ঘাটাইল উপজেলার আলামিন ও তার মাকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ১৮ সেপ্টেম্বর ঘাটাইলের হামিদপুর বাজারে এবং কালিহাতী সদরে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ মিছিল বের করলে, মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে ০৪ জন নিহত হন। গুলিবিদ্ধ হন আরও ০৭ জন। নিরতরা হলেন, ঘাটাইল উপজেলার ফারুক হোসেন (৩২), কালিয়া গ্রামের শামীম (৩৫), কালিহাতী উপজেলা সদরের শ্যামল দাস (১৫) ও বেতডোমা গ্রামের রুবেল হোসেন (২০)।

 

চাকরিচ্যুত ০৪ পুলিশ সদস্যরা হলেন- ঘাটাইল থানার সাবেক উপ-পরিদশর্ক (এসআই) বর্তমানে টাঙ্গাইলের বাসাইল থানায় কর্মরত মনসুর আহমেদ এবং কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক বর্তমানে কিশোরগঞ্জ জেলায় কর্মরত সলেম উদ্দিন, বর্তমানে রাজবাড়ি জেলায় কর্মরত কনস্টেবল জিয়াউল হক এবং আমিনুল ইসলাম।

এসআই ওমর ফারুকের (বর্তমানে নাগরপুর থানায় কর্মরত) ০৫ বছরের জন্য, এসআই আবুল বাশারকে (বর্তমানে নেত্রকোনা থানায় কর্মরত) ০৩ বছরের জন্য এবং কনস্টেবল মাহাতাব উদ্দিনকে (বর্তমানে টাঙ্গাইল ডিএসবি) ও কনস্টেবল তমাল চন্দ্র দের (দেলদুয়ারে কর্মরত) ইনক্রিমেন্ট ০২ বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

 

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মাহবুব আলম জানান, কালিহাতীতে পুলিশের গুলি বর্ষনের ঘটনায় বিভাগীয় মামলা হয়। পরে তদন্তে সে অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় চারজনকে চাকরিচ্যুত এবং চারজনের বিরুদ্ধে ইনক্রিমেন্ট স্থগিত করা হয়েছে।

 

(ঘাটাইল.কম)/-

97total visits,1visits today