ঘাটাইলে লম্পট সৎ বাবা কামরুলের বিকৃত লালসায় ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে

লম্পট বাবার বিকৃত যৌন লালসার স্বীকার হয়ে এখন ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে। মেয়েটি একটি মাদরসার দশম শ্রেনীর ছাত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইল ঘাটাইল উপজেলার মালীরচালা গ্রামের রাগামারি এলাকায়। এ ব্যাপারে অন্তঃস্বতা মেয়েটি বিচার চেয়ে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে।

 

লিখিত অভিযোগ ও এলাকাবাসীর সূত্রে  জানা যায়, ঘাটাইলের নব গঠিত সাগরদিঘী ইউনিয়নের চুলাবর গ্রামের সিদ্দিক মিয়ার মেয়ে বানেছা বেগম। বানেছার প্রথম বিয়ে হয় ময়মনসিংহ জেলা সদরের ইব্রাহিমের সাথে। অল্প কিছু দিনের মধ্যে সে সংসার ভেঙ্গে যায়। এর পর তার ২য় বিয়ে হয় মালীরচালা গ্রামের রাগামারি পাড়ার আমির আলীর সাথে। সে ঘরে জন্ম নেয় ধর্ষিতা মেয়েটি। তার বয়স যখন ২ বছর তখন তার মা বানেছা ২য় স্বামীর ঘর ছেড়ে একই গ্রামের কামরুলের কাছে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ব হয়। সে কামরুলকেই বাবা বলে ডাকত। তার সংসারেই বেড়ে উঠে সে। বর্তমানে সে স্থানীয় একটি দাখিল মাদরাসার ১০ম শ্রেণির ছাত্রী। মেয়েটি বেড়ে উঠার সাথে সাথে মেয়ের প্রতি কুনজর পড়ে বাবা কামরুলের।

 

মেয়েটি জানায়, কামরুল তার যৌন লালসা মেটাতে তাকে কাছে পেতে নানা ফন্দিফিকির করত। কিন্ত লম্পট বাবার কথায় যৌন মিলনে রাজি না হওয়ায় তার উপরে চলে মানসিক নির্যাতন সাথে ভয়ভীতি। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে বাবার কুপ্রস্তাবে রাজি হয় সে। তার পর থেকেই নিয়মিত যৌন চাহিদা মেটাতে থাকে লাম্পট বাবা। গত ২ বছর যাবৎ বাবা-মেয়ের যৌন সম্পর্ক চলতে থাকে। এরই এক পর্যায়ে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। সে বাবার কাছে এ ব্যাপারে সমাধান চাইলে লম্পট বাবা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। বর্তমানে সে ৯ মাসের অত্বঃসত্বা।

 

স্থানীয় মেম্বার লিয়াকত আলী জানান, সামাজিক ভাবে বিষয়টি সুরাহা করতে চাইলে লম্পট কামরুল উপস্থিত হয়নি, বিষয়টি অত্যন্ত ঘৃন্য। মেম্বার হিসাবে নয়, একজন সাধারণ মানুষ হিসাবে আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই। লম্পট কামরুলের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তার মোবাইল নম্বর (০১৭২৭৭৮২৭৫৮) ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে  কামরুলের বাড়িতে গিয়েও তার কোন হদিছ পাওয়া যায়নি। বর্তমানে সে পলাতক রয়েছে।

 

এ বিষয়ে সাগরদিঘী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোঃ কামাল হোসেন জানান, আমার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে। বিয়ষটি খুবই দুঃখজনক। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখব।

 

(মো.মাসুম মিয়া/ ঘাটাইল.কম)/-

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.